রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-ছেলে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একই পরিবারের আরও এক সদস্য গুরুতর অবস্থায় আহত হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের মন্থনা বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম মান্দ্রাইন গ্রামের নির্মল চন্দ্র রায় (৭৫) ও তার ছেলে প্রশান্ত চন্দ্র রায় (৩৫)। প্রশান্ত চন্দ্র রায় পেশায় একজন পল্লীচিকিৎসক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নির্মল চন্দ্র রায় ও তার ছেলে প্রশান্ত চন্দ্র রায় এবং নাতি বন্ধন চন্দ্র রায় মিলে মোটরসাইকেলে করে বড়াইবাড়ি তুলশীহাটে একটি অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। পথে মন্থনা জুট মিলের কাছাকাছি পৌঁছালে বেপরোয়া একটি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে প্রশান্ত চন্দ্র রায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় নির্মল চন্দ্র রায় ও তার নাতি বন্ধন চন্দ্র রায়কে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রথমে নির্মল চন্দ্র রায়কে মৃত ঘোষণা করেন। এঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে একই হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন নাতি বন্ধন চন্দ্র রায়।
গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান দুলু বলেন, নির্মল চন্দ্র সরকার ও তার ছেলে প্রশান্ত স্থানীয়ভাবে পরিচিত ও সেবাপরায়ণ মানুষ ছিলেন। দুর্ঘটনায় তাদের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিশুটি হাসপাতালে আইসিইউতে সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। মরদেহ পরিবারে কাছে পৌঁছানো হচ্ছে।
গঙ্গাচড়া মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর জানান, দুর্ঘটনার পর ট্রাক রেখে চালক ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত সটকে পড়েন। তবে তাকে আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে। ট্রাকটি থানায় নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের মন্থনা বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম মান্দ্রাইন গ্রামের নির্মল চন্দ্র রায় (৭৫) ও তার ছেলে প্রশান্ত চন্দ্র রায় (৩৫)। প্রশান্ত চন্দ্র রায় পেশায় একজন পল্লীচিকিৎসক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নির্মল চন্দ্র রায় ও তার ছেলে প্রশান্ত চন্দ্র রায় এবং নাতি বন্ধন চন্দ্র রায় মিলে মোটরসাইকেলে করে বড়াইবাড়ি তুলশীহাটে একটি অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। পথে মন্থনা জুট মিলের কাছাকাছি পৌঁছালে বেপরোয়া একটি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে প্রশান্ত চন্দ্র রায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় নির্মল চন্দ্র রায় ও তার নাতি বন্ধন চন্দ্র রায়কে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রথমে নির্মল চন্দ্র রায়কে মৃত ঘোষণা করেন। এঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে একই হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন নাতি বন্ধন চন্দ্র রায়।
গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান দুলু বলেন, নির্মল চন্দ্র সরকার ও তার ছেলে প্রশান্ত স্থানীয়ভাবে পরিচিত ও সেবাপরায়ণ মানুষ ছিলেন। দুর্ঘটনায় তাদের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিশুটি হাসপাতালে আইসিইউতে সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। মরদেহ পরিবারে কাছে পৌঁছানো হচ্ছে।
গঙ্গাচড়া মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর জানান, দুর্ঘটনার পর ট্রাক রেখে চালক ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত সটকে পড়েন। তবে তাকে আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে। ট্রাকটি থানায় নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অনলাইন ডেস্ক